নিজেই নিজেকে ‘মেডেল অব অনার’ দিতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প!
jagonews24.com
Friday, February 20, 2026

প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার পর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইরাকে মার্কিন সেনাদের দেখতে আকস্মিক সফর করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সে সফরের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকেই ‘কংগ্রেশনাল মেডেল অব অনার’ দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জর্জিয়ার রোম শহরে এক বক্তব্যে ট্রাম্প তার...
প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় আসার পর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে ইরাকে মার্কিন সেনাদের দেখতে আকস্মিক সফর করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সে সফরের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকেই ‘কংগ্রেশনাল মেডেল অব অনার’ দেওয়ার কথা ভেবেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জর্জিয়ার রোম শহরে এক বক্তব্যে ট্রাম্প তার ইরাক সফরের স্মৃতিচারণ করে এমন বক্তব্য দিয়েছেন।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প বলেন, ‘আমি ইরাকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি অত্যন্ত সাহসী ছিলাম। এতটাই সাহসী যে নিজেকেই কংগ্রেশনাল মেডেল অব অনার দিতে চেয়েছিলাম।’
তিনি আরও বলেন, “আমি আমার লোকদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘আমি কি নিজেকে কংগ্রেশনাল মেডেল অব অনার দিতে পারি?’”
তবে ট্রাম্প স্বীকার করেন, এই সম্মাননা এম সেনাদের দেওয়া হয়েছে, যারা প্রকৃত যুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব দেখিয়েছেন এবং অনেকেই গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলেছিলাম, নিজেকে দিলে সেটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। একদিন আইনটা পরীক্ষা করে দেখব। জানেন তো, আমি মজা করছি।’
‘কংগ্রেশনাল মেডেল অব অনার’ কে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ও সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সামরিক পদক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি কেবল সেসব সেনাসদস্যদের দেওয়া হয়, যারা যুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব ও আত্মত্যাগের নজির স্থাপন করেন।
প্রায় চার কোটি মার্কিন সেনাসদস্যের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৩ হাজার ৫২৮ জন এই সম্মান পেয়েছেন। বর্তমানে জীবিত পদকপ্রাপ্তের সংখ্যা মাত্র ৬১।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ট্রাম্প আরও দাবি করেছিলেন যে, তিনি ‘অমীমাংসিত সাতটি যুদ্ধ’ সমাধান করায় ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার যোগ্য।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
কেএম
Read the full article
Continue reading on jagonews24.com


