হলমার্ক থেকে ক্যারেটের হিসাব, খাঁটি সোনা চিনবেন যেভাবে
jagonews24.com
Sunday, February 1, 2026

সোনার দাম যখন আকাশছোঁয়া, তখন গহনা কেনার সময় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন - যেটা কিনছেন, সেটা সত্যিই খাঁটি তো? চকচক করলেই সোনা হয় না। তাই সোনা চেনার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কিছু পদ্ধতি জানা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি। ১. হলমার্ক টেস্ট খাঁটি সোনা শনাক্ত করার সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য উপায় হলো হলমার্ক...
সোনার দাম যখন আকাশছোঁয়া, তখন গহনা কেনার সময় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন - যেটা কিনছেন, সেটা সত্যিই খাঁটি তো? চকচক করলেই সোনা হয় না। তাই সোনা চেনার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কিছু পদ্ধতি জানা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি জরুরি।
১. হলমার্ক টেস্ট
খাঁটি সোনা শনাক্ত করার সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য উপায় হলো হলমার্ক টেস্ট। হলমার্ক মূলত গহনার গায়ে খোদাই করা কিছু নির্দিষ্ট সংখ্যা বা চিহ্ন, যা সেই সোনার গুণগত মান বা ক্যারেট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেয়।

আন্তর্জাতিক গোল্ড কাউন্সিলের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ক্যারেট সোনার জন্য ব্যবহৃত হয় ৯৯৯.৯, ২২ ক্যারেটের জন্য ৯১৬, ২১ ক্যারেটের জন্য ৮৭৫ এবং ১৮ ক্যারেটের জন্য ৭৫০ – এই সংখ্যাগুলো ব্যবহার করা হয়। এই সংখ্যাগুলো গহনার গায়েই খোদাই করা থাকে।
তবে এগুলো শুধু চেনার কোড নয়। এগুলো আসলে শুদ্ধতার মাত্রা, অর্থাৎ স্বর্ণে কতটা খাঁটি সোনা আছে, হাজারের মধ্যে তার হিসাব।
সহজ করে বললে—
৯৯৯.৯ (২৪ ক্যারেট) মানে হলো ১,০০০ ভাগের মধ্যে প্রায় ৯৯৯.৯ ভাগই খাঁটি সোনা। অর্থাৎ, প্রায় ১০০ শতাংশ।
৯১৬ (২২ ক্যারেট) মানে ১,০০০ ভাগে ৯১৬ ভাগ সোনা আর বাকি অংশে অন্য ধাতু।
৮৭৫ (২১ ক্যারেট) মানে ৮৭৫ ভাগ খাঁটি সোনা।
৭৫০ (১৮ ক্যারেট) মানে ৭৫ শতাংশ সোনা, বাকি ২৫শতাংশ অন্য ধাতু।
এই কারণেই এগুলোকে কখনো কখনো পার্টস পার থাউজ্যান্ড বা সহজ ভাষায় হাজারে কত ভাগ সোনা আছে - এই হিসাব বলা হয়।
বাংলাদেশে আইন অনুযায়ী হলমার্ক করা সোনার অলংকার বিক্রি বাধ্যতামূলক। তবে বাস্তবে অনেক জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান এখনো এটি পুরোপুরি মানছে না বলে সোনা ব্যবসায়ীদের দাবি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এনামুল হক খান দোলন বিবিসি বাংলাকে বলেন, গহনা কেনার সময় অবশ্যই ক্যারেট অনুযায়ী গহনার গায়ে থাকা হলমার্ক সিল ভালো করে দেখে নেওয়া উচিত।

২. অন্যান্য পরীক্ষা
হলমার্কের পাশাপাশি সোনা যাচাইয়ের কিছু প্রচলিত উপায়ও রয়েছে। এর মধ্যে নাইট্রিক এসিড টেস্ট, চুম্বক পরীক্ষা, পানির পরীক্ষা কিংবা সিরামিক প্লেট টেস্ট বেশ পরিচিত। তবে এগুলো ঘরোয়া বা প্রাথমিক ধারণা দিতে পারে, চূড়ান্ত নিশ্চয়তার জন্য হলমার্কই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
সোনার ক্ষেত্রে আরেকটি পরিচিত শব্দ হলো ‘কেডিএম সোনা’। গহনা তৈরির সময় নরম সোনাকে শক্ত করতে আগে ক্যাডমিয়াম নামের এক ধরনের ধাতু মেশানো হতো। এতে সোনার মান বজায় থাকলেও গহনার কারিগর ও ব্যবহারকারীর স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। সে কারণেই বর্তমানে স্বর্ণে ক্যাডমিয়াম মেশানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
সব মিলিয়ে, সোনা কেনার সময় শুধু ডিজাইন নয় - হলমার্ক, ক্যারেট এবং নিরাপত্তার বিষয়গুলো খেয়াল রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
সূত্র: বিবিসি নিউজ
এএমপি/জেআইএম
Read the full article
Continue reading on jagonews24.com
More from jagonews24.com
47 minutes ago
Traffic enforcer sibak sa viral video habang nangingikil
49 minutes ago
بابع اؚظم نے ŮšŰŒ ŮšŮˆŮ†ŮšŰŒ Ř§Ů†ŮšŘąŮ†ŰŒŘ´Ů†Ů„ Ů…ŰŒÚş ŮˆŰŒŘąŘ§ŘŞ ÚŠŮˆŰŮ„ŰŒ ڊا بڑا ŘąŰŒÚŠŘ§ŘąÚˆ ŘŞŮˆÚ‘ ŘŻŰŒŘ§ ... بابع نے Ř˘ŘłŮšŘąŰŒŮ„ŰŒŘ§ ÚŠŰ’ ŘŽŮ„Ř§Ů ŘŞŰŒŘłŘąŰ’ ŮšŰŒ ŮšŮˆŮ†ŮšŰŒ Ů…ŰŒÚş ناقابل شڊست 50 عنز بنا ÚŠŘą سنگ Ů…ŰŒŮ„ ŘšŘ¨ŮˆŘą ÚŠŰŒŘ§

50 minutes ago
51 minutes ago