দায়িত্ব নেওয়ার পর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এলেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী
jagonews24.com
Wednesday, February 18, 2026

বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এসেছেন। তারা বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১টার দিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আসেন। এটি দায়িত্ব পাওয়ার পর তাদের প্রথম অফিস। তারা মন্ত্রণালয়ের পৌঁছালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ...
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এসেছেন। তারা বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১টার দিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আসেন। এটি দায়িত্ব পাওয়ার পর তাদের প্রথম অফিস।
তারা মন্ত্রণালয়ের পৌঁছালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান তাদের শুভেচ্ছা জানান।
অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রণালয়ের একসঙ্গে দায়িত্ব পেয়েছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। সেগুলো হলো, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনে মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মুক্তাদিরসহ মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা। তাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর এবারই প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন।
১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের বাসা সিলেট নগরের তোপখানা এলাকায়। তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশায় ব্যবসায়ী আবদুল মুক্তাদীরের সক্রিয় রাজনীতি শুরু হয় ২০১২ সাল থেকে।
২০১৬ সাল থেকে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে আছেন। অতীতে তিনি কখনো জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসনে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
আব্দুল মুক্তাদীরের বাবা খন্দকার আব্দুল মালিক ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সিলেট-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন।
এদিকে নতুন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি। বাণিজ্যের পাশাপাশি শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করবেন তিনি।
এবারের নির্বাচনে তিনি কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের সঙ্গে বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
১৯৮০ ও ১৯৯০–এর দশকে বহুল প্রচারিত একটি টিভি বিজ্ঞাপন ছিল, ‘আলমের ১ নং পচা সাবান’। সাবান কারখানাটি এখনো আছে, যা তাদের পারিবারিক ব্যবসা। পচা শু কোম্পানি নামেও তাদের আরেকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কক্সবাজারে ‘লং বিচ’ নামের বহুতলবিশিষ্ট একটি হোটেল আছে শরীফুল আলমদের।
এনএইচ/এমআইএইচএস
Read the full article
Continue reading on jagonews24.com
More from jagonews24.com

42 minutes ago
Dwarka road accident: Lawyer says accused minor ‘too stressed’ for Class 10 board exams

42 minutes ago
В 2026 году 750 тысяч выпускников планируют сдать ЕГЭ

42 minutes ago
IndiaAI Expo to remain closed on Feb 19, to get extra day on Feb 21
44 minutes ago