নাফ নদী থেকে ৫ বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেলো আরাকান আর্মি
jagonews24.com
Wednesday, February 18, 2026

নাফ নদী থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পাঁচ বাংলাদেশি জেলেকে ট্রলারসহ ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে। ধরে নিয়ে...
নাফ নদী থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার পাঁচ বাংলাদেশি জেলেকে ট্রলারসহ ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনা নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে।
ধরে নিয়ে যাওয়া জেলেরা হলেন- টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত সৈয়দ আলমের ছেলে শাহ আলম (২০), মৃত নজু মিয়ার ছেলে আবুল হোসেন, মৃত মকবুল আহমেদের ছেলে মো. আব্বাস (৪০), আব্দুল মজিদের ছেলে আব্দুল সাহেদ (১৮), এবং মৃত মো. হোসেনের ছেলে মো. ইউনুস (৪০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন ট্রলার মালিক শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা মোহাম্মদ উল্লাহ জানান, সেন্টমার্টিনের অদূরে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার পর তার মালিকানাধীন ট্রলারটি পাঁচ জেলেসহ নৌ-ঘাটে ফিরছিল। শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় পৌঁছাতে রাত হলে তারা ট্রলারটি নোঙর করে সেখানে অবস্থান নেন। কিছুক্ষণ পরে হঠাৎ স্পিডবোটে করে এসে আরাকান আর্মি সদস্যরা ট্রলারসহ জেলেদের আটক করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় জেলেদের পরিবারে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
চট্টগ্রাম জোনের কোস্ট গার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আকিব বলেন, পাঁচ জেলেকে আরাকান আর্মি ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তারা শুনেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং বিজিবির সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। জেলেদের দ্রুত ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলম/এনএইচআর/এমএস
Read the full article
Continue reading on jagonews24.com
More from jagonews24.com
33 minutes ago
SoftBank, Hitachi, Toshiba show interest in Japan's invest-in-US initiative

37 minutes ago
SENS SNIPPETS: Towers, tailings and Texas: three corporate power plays

37 minutes ago
На Кубани потушили возгорание резервуара с нефтепродуктами

38 minutes ago