1 hours ago

নির্বাচনে ফেরার লড়াই এবং নতুন সরকারের অগ্রাধিকার

jagonews24.com

Monday, February 16, 2026

7 min read
নির্বাচনে ফেরার লড়াই এবং নতুন সরকারের অগ্রাধিকার
Share:

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২ বছরের মাথায় ফের একই আয়োজন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন অনেক গণমাধ্যমের শিরোনাম ছিল: গণতন্ত্রে ফেরার লড়াই। আসলে এটা হবে: নির্বাচনে ফেরার লড়াই। কেননা, এর আগে যে তিনটি (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সেগুলো নির্বাচনের মানদণ্ডে ...

২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২ বছরের মাথায় ফের একই আয়োজন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন অনেক গণমাধ্যমের শিরোনাম ছিল: গণতন্ত্রে ফেরার লড়াই। আসলে এটা হবে: নির্বাচনে ফেরার লড়াই। কেননা, এর আগে যে তিনটি (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪) জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, সেগুলো নির্বাচনের মানদণ্ডে ‘নির্বাচন’ ছিল না। সেগুলো ছিল একধরনের ভোট ভোট খেলা। এর মধ্যে ২০১৪ সালের নির্বাচন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ২০১৮ সালের নির্বাচন রাতের ভোট এবং ২০২৪ সালের নির্বাচন ‘আমি ডামি’র ভোট হিসেবে সমালোচিত হয়েছে। সেই হিসেবে দেড় যুগ পরে দেশের মানুষ সত্যি একটি নির্বাচন দেখলো এবং তাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিলো। অতএব গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন যতটা না গণতন্ত্রে ফেরার, তার চেয়ে বেশি নির্বাচনে ফেরার লড়াই। বাংলাদেশের মানুষের জীবন থেকে যে নির্বাচনটি হারিয়ে গিয়েছিল বা যে ভোট প্রয়োগের মধ্য দিয়ে নাগরিকরা রাষ্ট্রে তাদের মালিকানার প্রয়োগ ঘটান, সেই মালিকানা ফিরে পাওয়ার লড়াই এবারের নির্বাচন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা একাধিকবার বলেছেন, এবার ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ হবে। তার এই কথার অনেক সমালোচনা হয়েছে। বিশেষ করে যে সরকার দেড় বছরেও মব সন্ত্রাস নির্মূল করতে পারেনি বা করেনি, সেই সরকারের অধীনে ইতিহাসের সেরা নির্বাচন হবে—এই কথাটি অনেকের কাছে রসিকতা মনে হয়েছিল। একইভাবে নির্বাচন কমিশনের তরফেও যখন বারবার এই আশ্বাস দেয়া হয়েছিল যে, এবার অতীতের মতো ‘আমি ডামি’র কিংবা ‘রাতের ভোট’ হবে না, বরং মানুষ নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন—সেই কথায়ও পুরোপুরি আস্থা রাখা বেশ কঠিন ছিল। কারণ অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগের পতনের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল; বিশেষ করে কট্টর ডানপন্থি ও উগ্রবাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী যেভাবে শক্তিশালী হয়েছে, তাতে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হবে কি না বা ওই গোষ্ঠীগুলো নির্বাচন হতে দেবে কি না; হলেও সেই নির্বাচনটি কেমন হবে—তা নিয়ে জনমনে সংশয়ের অন্ত ছিল না।

তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশে ২৭৪টি সহিংস ঘটনা আর পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের তথ্য দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর। প্রতিদ্বন্দ্বী সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের কারণেই সবচেয়ে বেশি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এমন সংঘর্ষের সংখ্যা ৮৯টি। গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর থেকে ১ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ভীতি প্রদর্শন বা আক্রমণাত্মক আচরণের ঘটনা ঘটেছে ১৬টি। প্রার্থীর ওপর সরাসরি হামলার ঘটনা ১৫টি এবং হত্যাকাণ্ডের ঘটনা পাঁচটি। এছাড়া অবৈধ অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা পাওয়া গেছে তিনটি। এছাড়া হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ৯টি, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণের ঘটনা একটি এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে সহিংসতার ঘটনা ৭০টি। সরকারের হিসাবে তফসিল ঘোষণার পর থেকে এখন পর্যন্ত নির্বাচনি সহিংসতায় চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক মানুষ। কিন্তু তারপরও নির্বাচন বাচনাল বা ভন্ডুল হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

সর্বোপরি সব সংশয় কাটিয়ে সত্যিই একটি ভালো নির্বাচন হলো। দেশের মানুষ অনেক দিন পরে একটি হানাহানি ও খুনোখুনিমুক্ত নির্বাচন দেখলো। ভোটের আগে শেরপুরে একজন জামায়াত নেতার খুন হওয়া ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে যেসব মারামারি ও সংঘর্ষ হয়েছে, সেগুলোকে বাংলাদেশের মতো দেশে নির্বাচনি সংস্কৃতির অংশ বললেও ভুল হবে না। কেননা এমন কিছু ঘটেনি যাতে নির্বাচনটি ভন্ডুল হয়ে যায়। বরং জনমনে এই শঙ্কাই প্রবল ছিল যে, নির্বাচনটি শেষ পর্যন্ত ভন্ডুল করে দেয়া হতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনে যাদের জয়ের সম্ভাবনা কম বা সম্ভাবনা নেই; নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আরেকটি দল ক্ষমতায় এলে যাদের ক্ষমতা বলয় থেকে ছিটকে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তারা হয়তো যেকোনো মূল্যে নির্বাচন প্রতিহত করতে চাইবে। কিন্তু সরকার ও নির্বাচন কমিশন, বিশেষ করে সেনাবাহিনী যেকোনো উপায়ে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচনটি শেষ করার ব্যাপারে যেহেতু দৃঢ় প্রত্যয়ী ছিল, সে কারণে সত্যিই একটি ভালো নির্বাচন জাতি দেখলো। রোজার ঈদের আগে এটিকে জাতির জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে একটি বড় উপহার বললেও ভুল হবে না।

দ্বিতীয়ত, এবারের নির্বাচনে কী হবে বা কারা ক্ষমতায় আসবে—তা নিয়েও জনমনে নানারকম সংশয় ছিল। বিশেষ করে জামায়াতের ব্যাপারে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে হাইপ তৈরি হয়েছিল, তাতে অনেকের মনেই এই ধারণা জন্মেছিল যে, শেষ পর্যন্ত হয়তো জামায়াত ও এনসিপি জোট ক্ষমতায় আসবে। এখানে অনেকে এনসিপির প্রতি স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টার ‘পক্ষপাত’কেও আমলে নিয়ে ভেবেছেন, হয়তো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করে এই জোটকে ক্ষমতায় নিয়ে আসা হবে কিংবা এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা হবে যাতে কোনো দল এককভাবে সরকার গঠন করতে না পারে। অর্থাৎ যাতে একটি ঝুলন্ত সংসদ হয়। এমতাবস্থায় স্বাধীনতাবিরোধী ও উগ্রবাদী কোনো দল বা তাদের সমন্বয়ে যদি সরকার গঠিত হয়, তাহলে দেশের পরিস্থিতি কী হবে—তা নিয়ে জনপরিসরে বিস্তর আলোচনা হয়। মানুষের মনে দারুণ ভীতি কাজ করে। কিন্তু পরম করুণাময়ের দয়ায় জনগণের সেই শঙ্কারও অবসান হয়েছে। যাদের নিয়ে জনমনে ভীতি ও শঙ্কা ছিল, তারা শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হতে পারেনি। বলা হয়, বাংলাদেশের মানুষ যেকোনো দুঃসময়ে বা কঠিন সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করে না। এবারের নির্বাচনেও তার প্রতিফলন ঘটলো।

নতুন সরকারের প্রথম কাজই হবে মবসন্ত্রাস পুরোপুরি নির্মূল করা; যারা মবে নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো তথা নাগরিকের মনে নিরাপত্তার বোধ সৃষ্টি করা এবং এই সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো চালু হতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া। মনে রাখতে হবে, অর্থনীতি ইতিবাচক ধারায় না ফিরলে কোনো সংস্কার বা কোনো সনদই আখেরে কাজে আসবে না।

ইতিহাসের সেরা নির্বাচনের কোনো মানদণ্ড নেই। তবে ইতিহাসের সেরা নির্বাচন বলতে প্রধান উপদেষ্টা সম্ভবত বাংলাদেশের ইতিহাসকে বুঝিয়েছেন। দেশের ইতিহাসে এর আগে যে ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে মাত্র পঞ্চম, সপ্তম ও অষ্টম (১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১) জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছাড়া বাকি সবগুলোই কোনো না কোনোভাবে বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে যে নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু-গ্রহণযোগ্য এবং সর্বোপরি বিশ্বাসযোগ্য; যে নির্বাচনের ফলাফল পরাজিত প্রার্থীও মেনে নেন—সেটিই ভালো নির্বাচন। প্রধান উপদেষ্টা যদি এসব মানদণ্ড বিবেচনায় সেরা নির্বাচন বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে এবার সত্যিই সেরকম একটি নির্বাচন হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পরে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে ভোট গণনায় কারচুপির অভিযোগ আনা হলেও তারা ফলাফল মেনে নিয়েছে এবং দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার করেছে। এটি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য স্বস্তির খবর। সম্ভাব্য বিরোধী দলের এই অবস্থান তৈরির পেছনে বিএনপির দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হওয়া এবং মাঠের বাস্তবতার বাইরেও স্বয়ং প্রধান উপদেষ্টারও ভূমিকা রয়েছে বলে শোনা যায়। অর্থাৎ নতুন করে দেশ যাতে আর কোনো সংকটে বা অনিশ্চয়তার মুখে না পড়ে, সেজন্য তিনি প্রধান দলগুলোকে কনভিন্সড করেছেন।

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার কী হবে?

২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোট ইতিহাসের বিচারে কোথায় অবস্থান করবে, তা হয়তো সময়ই বলে দেবে। কিন্তু গণভোটের ফলাফল নিয়ে কিছুটা সমালোচনা ও বিতর্ক উঠলেও জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে পরাজিতদের পক্ষ থেকে যেসব অভিযোগ এসেছে, সেগুলো খুব বড় নয়। সুতরাং, নানা শঙ্কা ও ভয়-ভীতি কাটিয়ে দেশের মানুষ যে নির্বাচনে ফিরলো এবং তার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার যে সূচনা হলো, সেটি আগামী পাঁচ বছর নিরবচ্ছিন্ন থাকবে; কোনো অজুহাতে কেউ মব সৃষ্টি করে পার পাবে না; সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিভিন্ন পক্ষ রাস্তায় নেমে জনজীবন অচল করে দেবে না বা দিতে পারবে না—এটাই প্রত্যাশা। নতুন সরকারকে এসব জায়গায় খুব সতর্ক থাকতে হবে। অর্থাৎ কোনো অজুহাত বা কোনো দাবি তুলে কেউ যাতে দেশে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হতে হবে। সেনাবাহিনী দ্রুত ব্যারাকে ফিরে যাবে এবং তারপরওে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে স্বাভাবিক থাকে; গত দেড় বছর ধরে মানুষের মনে যে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, সেটি দ্রুতই কেটে যাবে—এটিই প্রত্যাশা।

রবিবার জাগো নিউজের একটি খবরে বলা হয়, নির্বাচনের পর প্রথম কার্যদিবসেই দেশের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়েছে। একদিনেই প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক ২০০ পয়েন্ট বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে বাজার মূলধন বেড়েছে ১২ হাজার কোটি টাকার ওপরে। পাশাপাশি পাঁচ মাস পর হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেনের দেখা মিলেছে।

বলাই হয়, ব্যবসায়ীরা মূলধন চায় না। তারা চায় ভরসা। বিনিয়োগকারী যদি মনে করেন যে, তার বিনিয়োগটা নিরাপদ এবং ধীরে হলেও সেখান থেকে মুনাফা আসবে, তাহলেই কেবল তিনি বিনিয়োগ করেন। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বড় কোনো বিনিয়োগ হয় না। অন্তর্বর্তী সরকারের গত দেড় বছরে নিত্যপণ্যের বাজারে কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে স্বস্তি বিরাজ করলেও এই সময়ের মধ্যে বড় ও ও মাঝারি অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়েছে। প্রচুর মানুষ বেকার হয়েছেন। তার প্রধান কারণ বিনিয়োগে ভরসার অভাব। বিনিয়োগকারীরা জানতেন না তাদের বিনিয়োগের টাকাটা উঠে আসবে কি না। কারণ কবে নির্বাচন হবে, নির্বাচনের পরে কারা ক্ষমতায় আসবে—এসব নিয়ে যে ধোঁয়াশা আর অনিশ্চয়তা ছিল, তা কেটে গেছে বলে ভোটের পরে প্রথম কর্মদিবসেই শেয়ার বাজার চাঙ্গা হয়েছে। একইভাবে দেশের অর্থনীতির অন্যান্য সূচকও দ্রুতই ইতিবাচক ধারায় ফিরবে বলে আশা করা যায়।

কোনো বড় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে যদি সুনির্দিষ্ট ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ থাকে, তাহলে প্রচলিত আইনে তার বিচার হবে। কিন্তু ওই অজুহাতে তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেয়া বা সেগুলোয় সংকট তৈরি লাখ লাখ মানুষের জীবিকা অনিশ্চিত করে দিলে তার প্রভাব পড়ে দেশের অর্থনীতিতেই।

অতএব নতুন সরকারের প্রথম কাজই হবে মবসন্ত্রাস পুরোপুরি নির্মূল করা; যারা মবে নেতৃত্ব দিয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা; আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো তথা নাগরিকের মনে নিরাপত্তার বোধ সৃষ্টি করা এবং এই সময়ের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া কল-কারখানাগুলো চালু হতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া। মনে রাখতে হবে, অর্থনীতি ইতিবাচক ধারায় না ফিরলে কোনো সংস্কার বা কোনো সনদই আখেরে কাজে আসবে না।

লেখক : সাংবাদিক ও লেখক।

এইচআর/এমএস

Read the full article

Continue reading on jagonews24.com

Read Original

More from jagonews24.com