নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে পারমাণবিক সমঝোতায় প্রস্তুত ইরান
jagonews24.com
Sunday, February 15, 2026

যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ইরান। ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভাঞ্চি এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তরিকতা দেখা গেলে চুক্তির প...
যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ইরান।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভাঞ্চি এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের আন্তরিকতা দেখা গেলে চুক্তির পথে অগ্রগতি সম্ভব।
৬ ফেব্রুয়ারি ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা পুনরায় শুরু হয়। সুইজারল্যান্ড জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে জেনেভায় নতুন দফা আলোচনা হবে। তবে ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে তা নিশ্চিত করেনি। তাখত-রাভাঞ্চির মতে, আলোচনা মঙ্গলবার হওয়ার কথা।
পশ্চিমা দেশগুলো—বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল—দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। তবে তেহরান এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, তারা শান্তিপূর্ণ বেসামরিক কাজে পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে চায়।
তাখত-রাভাঞ্চি জানান, সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরান উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাতলা (ডাইলিউট) করতে রাজি। তবে এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে, যা ইরানের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বর্তমানে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪০০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা জানিয়েছে। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিতে সমৃদ্ধকরণের সীমা ছিল ৩.৬৭ শতাংশ। পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজন প্রায় ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে শূন্য শতাংশ সমৃদ্ধকরণের দাবি জানালেও তাখত-রাভাঞ্চি বলেন, শূন্য সমৃদ্ধকরণ এখন আর আলোচনার বিষয় নয়।
রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশ ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত নিজেদের কাছে সংরক্ষণের প্রস্তাব দিলেও ইরান তা এখনো গ্রহণ করেনি।
এদিকে ফার্স নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, আলোচনায় ইরানের জ্বালানি খাতে সম্ভাব্য মার্কিন বিনিয়োগের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, আলোচনার ফলাফল মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: এএফপি
এমএসএম
Read the full article
Continue reading on jagonews24.com



