1 hours ago

নিয়োগ-পদোন্নতি ‘গণহারে’, শিক্ষার সংস্কারে ছিল না আগ্রহ!

jagonews24.com

Tuesday, February 10, 2026

6 min read
নিয়োগ-পদোন্নতি ‘গণহারে’, শিক্ষার সংস্কারে ছিল না আগ্রহ!
Share:

গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষাখাতে খুব বেশি সংস্কার কাজ না করতে পারলেও নিয়োগ-পদোন্নতি দিয়েছে ‘গণহারে’। মাত্র ১৮ মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্ধলাখেরও বেশি শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। শিক্ষা ক্যাডারের সাড়ে চার হাজার কর্মকতার পদোন্নতি দিয়েছে। অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করা প্রায় ৬০০ কর্মচা...

গণঅভ্যুত্থানের পর দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষাখাতে খুব বেশি সংস্কার কাজ না করতে পারলেও নিয়োগ-পদোন্নতি দিয়েছে ‘গণহারে’। মাত্র ১৮ মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্ধলাখেরও বেশি শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। শিক্ষা ক্যাডারের সাড়ে চার হাজার কর্মকতার পদোন্নতি দিয়েছে। অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করা প্রায় ৬০০ কর্মচারীকে নিয়মিতকরণ বা চাকরি স্থায়ী করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। পাশাপাশি ২০৬ জন শিক্ষককে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতির মাধ্যমে আত্তীকরণ করা হয়েছে। এসব পদোন্নতি ও আত্তীকরণে অনেক ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষাখাতে অন্তর্বর্তী সরকারের অর্জন নিয়ে তৈরি করা ‘রূপান্তরের দোরগোড়ায় শিক্ষা’ বিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত না হলেও এর একটি কপি জাগো নিউজের হাতে এসেছে।

তাতে নিয়োগ-পদোন্নতির ফিরিস্তি তুলে ধরা হলেও শিক্ষাখাত সংস্কারের তেমন কোনো কাজ ও পরিকল্পনা নেই।

শিক্ষকদের ব্যাপক হারে পদোন্নতি

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র ও প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সরকারি কলেজে কর্মরত শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলেন। তাদের দাবির মুখে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। এতে তিন স্তরের ৪ হাজার ৫৭৬ জন কলেজ শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে—গত ২০ নভেম্বর প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি ১ হাজার ৮৭০ জনকে পদোন্নতি দেওয়া হয়। ১১ ডিসেম্বর ১ হাজার ৭১১ জন সহকারী অধ্যাপককে সহযোগী অধ্যাপক পদে এবং ৯৯৫ জন সহযোগী অধ্যাপককে অধ্যাপক পদোন্নতি দেওয়া হয়।

অর্ধলাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগ

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে ষষ্ঠ ও সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৫৩ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ষষ্ঠ গণবিজ্ঞীপ্তর মাধ্যমে ২০২৫ সালের ১৯ আগস্ট ৪১ হাজার ৬২৭ জন এবং সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি ১১ হাজার ৭১৩ জনকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

বিভিন্ন সময়ে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ থাকা ২০৬ জন শিক্ষককে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়ে আত্তীকরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫৯০ জন কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী বা রাজস্বভুক্ত করা হয়েছে।

২০০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের দাবি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী—জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজে ২০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করেছে। সঠিকভাবে যাচাইয়ের ফলে পাঠ্যবইয়ের চাহিদা কমে যাওয়ায় এ সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে।

৯৯৪৮ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দাবি নিয়ে ‘প্রশ্ন’

পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ের ৯ হাজার ৯৪৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছে। এতে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ২৫২ কোটি ৯৪ লাখ ৯০ হাজার ১৬৭ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত আনার সুপারিশ করেছে।

আরও পড়ুন
থালা-বাটি হাতে এবার ‘ভুখা মিছিল’ করবেন শিক্ষকরা
টানা অনশনে অসুস্থ শিক্ষকরা, ‘মন গলছে না’ আমলাদের
এক সপ্তাহে গড়ালো শিক্ষকদের আন্দোলন, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা 

তবে ডিআইএ’র কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যতসংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের কথা বলছে, তা সঠিক নয়। এ সংখ্যা আরও কম হবে। পাশাপাশি সরকারি টাকায় পরিদর্শন করলেও প্রতিষ্ঠান থেকে ঘুস নিয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নামমাত্র তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। অল্পসংখ্যক যে প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে জমা পড়েছে, তাতে যে সুপারিশ করা হয়েছে; তা বাস্তবায়ন করেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সবমিলিয়ে এ পরিদর্শন পুরোটাই শুভঙ্করের ফাঁকি।

অবসর কল্যাণ বোর্ড ও ট্রাস্টের টাকা ছাড়

অবসর কল্যাণ ট্রাস্টে আটকা থাকা ৮ হাজার ২৪৪ জন বেসরকারি শিক্ষকের আবেদন নিষ্পন্ন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের কল্যাণ ট্রাস্ট ৪৯৭ কোটি ৬ লাখ ৭১ হাজার ৭১৯ টাকা দিয়েছে। একই সঙ্গে অবসর কল্যাণ বোর্ডের মাধ্যমে ৭ হাজার ৬৬৬টি আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ৮৩৬ কোটি ৫৭ হাজার ৪৮৪ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে পেনশনের টাকার জন্য অপেক্ষায় থাকারা টাকা পাননি। যারা তদবিরের মাধ্যমে এগিয়েছেন, তাদের অর্থছাড় করা হয়েছে। পাশাপাশি ভুয়া ইনডেক্স নাম্বার দেখিয়ে বড় অংকের পেনশনের টাকা তুলে নিয়েছেন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা।

এমপিও শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ও উৎসবভাতা বৃদ্ধি

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি শতাংশ হারে বাড়িভাড়া দেওয়া হয়েছে। মূল বেতনের ১৫ শতাংশ হারে প্রায় চার লাখ শিক্ষক-কর্মচারী বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন। একই সঙ্গে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসবভাতা ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় আরও যা যা করলো

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক স্তরের উন্নয়নে পরামর্শক কমিটি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা প্রণয়ন এবং এমপিওভুক্তির উদ্যোগ, ১ হাজার ৮৯ ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্তকরণ, দাখিল ও আলিম স্তরে ব্যবসায় শিক্ষা চালু, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন, পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচন আয়োজনে কাজ করেছে।

মাউশির প্রশিক্ষণ বিভাগের মাধ্যমে ২ হাজার ৩৬৯ জন শিক্ষক-কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে সরকার। এছাড়া ১০৫টি বিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ, শতভাগ ইএফটির মাধ্যমে বেতন-ভাতা পরিশোধ, ২০ হাজার ৬২৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ, ইউনেস্কোর ৪৩তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের সভাপতি পদ প্রাপ্তি অন্যতম।

শিক্ষা সংস্কার ও কারিকুলাম প্রণয়নে নড়চড় নেই!

শিক্ষাব্যবস্থায় এখন সবচেয়ে বড় সংকট কারিকুলাম না থাকা। আওয়ামী লীগ সরকার যে নতুন কারিকুলাম প্রণয়ন করে চালু করেছিল, তা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবির মুখে বাতিল করে দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ফলে ২০১২ সালে প্রণীত ‘সৃজনশীল শিক্ষাক্রম’ নামে পরিচিত কারিকুলাম আবারও ফিরিয়ে আনা হয়। অথচ এ কারিকুলাম ব্যর্থ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল সরকার।

দেড় বছর সময় পেলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নতুন ও যুগোপযোগী কারিকুলাম প্রণয়নে কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি। বিষয়টি ‘সময়সাপেক্ষ’ বলে সবসময় এড়িয়ে গেছেন দুজন উপদেষ্টা। প্রথম উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার অভিপ্রায় জানালেও পরে উপদেষ্টার দায়িত্ব পাওয়া অধ্যাপক ড. সি আর আবরার কিছুই করতে পারেননি। তিনি ২০২৭ সালে নতুন কারিকুলাম চালুর কথা বললেও তা সম্ভব নয়। এটি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বড় ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন
শিক্ষা ক্যাডারে ২৭০৬ কর্মকর্তার পদোন্নতি, অধ্যাপক হলেন ৯৯৫ জন
শিক্ষকদের পদোন্নতি দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘অনীহা’, বাড়ছে ক্ষোভ
‘সি আর আবরার, আর নেই দরকার’ স্লোগানে শিক্ষকদের পতাকা মিছিল

শিক্ষা সংস্কারে কমিশন গঠন করার ব্যাপারে শিক্ষার্থীদের জোর দাবি ছিল। যেহেতু শিক্ষার্থীদের হাত ধরে গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছিল, ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অংশীজনদের এ সরকারের কাছে শিক্ষা সংস্কারের বড় প্রত্যাশা ছিল। তবে দেড় বছরের মেয়াদে সেই পথে পা বাড়ায়নি অন্তর্বর্তী সরকার।

অস্থির শিক্ষাখাত, বিদায়বেলায় পদোন্নতি-এমপিওভুক্তির তোড়জোড়

অন্যদিকে পুরো সময়ে শিক্ষাখাতজুড়ে ছিল অস্থিরতা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জোরপূর্বক পদত্যাগ, শিক্ষকদের হেনস্তাসহ নানা সমস্যা নিরসনে ব্যর্থ হয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি বদলি, পদায়ন ও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় পদে পদে বড় ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ আষ্টেপৃষ্ঠে ছিল। খোদ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী এ নিয়ে খোলামেলা বক্তব্য দিয়েছেন, যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিদায়বেলায় এক হাজার ৭১৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির তোড়জোড় এবং শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২৪ প্রকৌশলীকে পদোন্নতির চেষ্টার ঘটনায় তুমুল সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এছাড়া তফসিলের একদিন আগে ৮ প্রকৌশলীকে নজিরবিহীন পদোন্নতি দেওয়া হয়। এসব বদলি, পদায়ন ও এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়ায় ব্যাপক ঘুসবাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে।

‘শিক্ষা সংস্কারে আগ্রহ ছিল না অন্তর্বর্তী সরকারের’

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষা সংস্কারে তেমন গুরুত্ব দিয়েছে বলে মনে হয়নি। কোনো ধরনের সংস্কার কমিশন গঠন হয়নি। আমাকে প্রধান করে মাধ্যমিক শিক্ষা সংস্কারে যে কমিটি করা হয়েছিল, তা একেবারে শেষ সময়ে। এটা আরও আগে করা হলে কমিটির প্রতিবেদন ধরে কিছু কাজ করতে পারতো এ সরকার। সেটাও সম্ভব হয়নি। ফলে টেকসই কোনো কাজই হয়েছে বলে আমার নজরে পড়েনি।’

অনিয়ম-ঘুসবাণিজ্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দলীয় সরকারের অধীনে যে রেওয়াজ ও তদবির বাণিজ্য ছিল, তা অন্তর্বর্তী সরকার দূর করতে পারেনি; বরং কিছু ক্ষেত্রে আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। গণঅভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট নিয়ে ফর্ম (গঠিত) করা এ সরকারের কাছ থেকে জাতির এমন প্রত্যাশা ছিল না। সবমিলিয়ে শিক্ষাখাত গত দেড় বছরে বাজে সময় পার করেছে বলে মনে করি।’

জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব রেহেনা পারভীন জাগো নিউজকে বলেন, ‘দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়ার প্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেশি কাজ করেছে। বিশেষ করে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিয়ে বেশি কাজ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় নিজেদের স্বার্থ বিবেচনা করেনি বরং অংশীজনদের প্রাপ্য দিয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষাখাতে গতিশীলতা এবং রূপান্তরের পথে ফেরানোর চেষ্টা করেছে। আগামীতে এ ধারাবাহিকতায় কাজ চললে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করি।’

এএএইচ/ইএ

Read the full article

Continue reading on jagonews24.com

Read Original

More from jagonews24.com