‘যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপকে ভয় পায় না ইরান’
jagonews24.com
Sunday, February 8, 2026

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপকে ইরান ভয় পায় না। তিনি বলেন, আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হলেও ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার কখনোই ত্যাগ করবে না। তেহরানে একটি ফোরামে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান তার শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়া...
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক চাপকে ইরান ভয় পায় না। তিনি বলেন, আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হলেও ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার কখনোই ত্যাগ করবে না।
তেহরানে একটি ফোরামে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইরান তার শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের জন্য অত্যন্ত চড়া মূল্য দিয়েছে।
আব্বাস আরাঘচি বলেন, আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হলেও আমরা সমৃদ্ধকরণের ওপর এত জোর দিচ্ছি এবং তা ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছি কেন? কারণ আমাদের আচরণ নির্ধারণ করার অধিকার কারো নেই। ওমানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে সাক্ষাতের দুদিন পর এ ধরনের মন্তব্য করলেন তিনি।
রোববার এক ঘোষণায় তিনি বলেন, তার দেশ উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনী মোতায়েনে ভীত নয়। এই অঞ্চলে তাদের সামরিক মোতায়েনে আমরা ভীত নই।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দোহায় আল-জাজিরা ফোরামের ১৭তম অধিবেশনের ফাঁকে এক সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, দেশের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প নিয়ে কখনোই কোনো আলোচনা করা হবে না। তিনি জানান, এটি পুরোপুরি প্রতিরক্ষামূলক বিষয় এবং আলোচনার আওতার বাইরে।
আরাঘচি জানান, একদিন আগে ওমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরোক্ষভাবে যে আলোচনা হয়েছে, তা ভালোভাবে শুরু হয়েছে। তবে পারস্পরিক আস্থা গড়তে এখনও অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই আলোচনা সরাসরি নয় এবং শুধু পারমাণবিক ইস্যু নিয়েই সীমাবদ্ধ।
টিটিএন
Read the full article
Continue reading on jagonews24.com
More from jagonews24.com

6 minutes ago
Источник: дивиденды компаний-систем бронирования выводились за рубеж
7 minutes ago
Super Bowl. Bad Bunny, Trump, mi-temps, chaîne TV… Tout savoir sur la finale de la NFL et le show du football américain

7 minutes ago
Источник заявил об иске ГП о передаче системы бронирования государству

8 minutes ago