1 hours ago

বিয়ের আগে বর-কনের যেসব স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত

jagonews24.com

Thursday, February 5, 2026

2 min read
বিয়ের আগে বর-কনের যেসব স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত
Share:

বিয়ের আগে বর-কনের নানা প্রস্তুতি থাকে। সাজ পোশাক ও আংটি-চুড়ি সবকিছুতে খরচ হয় হাজার হাজার টাকা। তবে এসবের পাশাপাশি অনেকেই এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে উপেক্ষা করেন বর-কনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সফল, সুস্থ ও সুন্দর দাম্পত্য জীবন গড়তে শুধু মানসিক মিল নয়, শারীরিক সুস্থতাও অত্যন্ত জরুরি। তাই বিয়ের আগে কিছু বি...

বিয়ের আগে বর-কনের নানা প্রস্তুতি থাকে। সাজ পোশাক ও আংটি-চুড়ি সবকিছুতে খরচ হয় হাজার হাজার টাকা। তবে এসবের পাশাপাশি অনেকেই এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে উপেক্ষা করেন বর-কনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা। সফল, সুস্থ ও সুন্দর দাম্পত্য জীবন গড়তে শুধু মানসিক মিল নয়, শারীরিক সুস্থতাও অত্যন্ত জরুরি। তাই বিয়ের আগে কিছু বিশেষ মেডিকেল টেস্ট করানো উচিত, যা ভবিষ্যতের যেকোনো সমস্যার আগেই সতর্ক করে দেয়।

১. থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং
যদি বর-কনে দুজনেই থ্যালাসেমিয়া বহন করেন, তবে সন্তানের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিবাহের আগে এই পরীক্ষা করালে মারাত্মক বংশগত রোগ থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা সম্ভব।

২. রক্তের গ্রুপ এবং আরএইচ ফ্যাক্টর
বিয়ের আগে বর ও কনের রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু রক্তের গ্রুপই নয়, কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট, থাইরয়েড এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগ আছে কি না তাও নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। রক্তে কোনো সমস্যা থাকলে তা পরবর্তীতে বড় রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

বিশেষ করে যদি বর পজিটিভ এবং কনে নেগেটিভ (আরএইচ -) হয়, তাহলে গর্ভাবস্থায় জটিলতা বা শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে। এই ক্ষেত্রে আরএইচ ফ্যাক্টরের অমিল থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শে আগেভাগে ইনজেকশন নেওয়া যায়।

৩. সংক্রামক রোগ পরীক্ষা
এইচআইভি ও হেপাটাইটিস বি ও সি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এগুলো স্বামী থেকে স্ত্রী বা স্ত্রীর থেকে স্বামী ও সন্তানের মধ্যে ছড়াতে পারে। আগে ধরা পড়লে যথাসময়ে চিকিৎসা শুরু করা যায় এবং রোগ ছড়ানো রোধ করা সম্ভব।

৪. যৌনবাহিত রোগের টেস্ট
সিফিলিস, গনোরিয়া ইত্যাদি প্রজনন ক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে এবং অনাগত সন্তানের ক্ষতি করতে পারে। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে ভবিষ্যতে বন্ধ্যাত্ব বা জটিলতা এড়ানো সম্ভব।
বন্ধ্যত্ব পরীক্ষা

নারীও পুরুষ উভয়ের প্রজনন স্বাস্থ্য যাচাই করা হয়। বিশেষ কোনো উপসর্গ না থাকলেও এই পরীক্ষা আগেভাগে সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। ভবিষ্যতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিয়ের চূড়ান্ত তারিখের অন্তত ২-৩ মাস আগে এই পরীক্ষা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে করানো উচিত। এতে সময়মতো সমস্যা শনাক্ত করে সমাধান করা সম্ভব এবং সুস্থ, নিরাপদ ও সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তোলা যায়।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আরও পড়ুন:
ঘুম থেকে ওঠার পরের ৩০ মিনিট কী কী করবেন?
ভাত খেয়ে কি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ সম্ভব?

এসএকেওয়াই/এএসএম

Read the full article

Continue reading on jagonews24.com

Read Original

More from jagonews24.com